স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলা বিএনপি’র ১৭ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, এই নেতারা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে কাজ করায় দল থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন, বাজিতপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক, দিঘীরপাড় ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি শাহরিয়ার শামীম, বলিয়ারদী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. ফিরোজ খান, নিকলী উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি এডভোকেট মো. মানিক মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, জারুইতলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি কামরুল ইসলাম, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি পরশ মাহমুদ, দামপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. আলী হোসেন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি হারুন অর রশীদ, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আবু তাহের, সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মুক্তার, কারপাশা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. তোফায়েল আহমেদ তপু, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ও নিকলী উপজেলা বিএনপি’র ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির হোসেন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তাদেরকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এতে বলা হয়- দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে বাজিতপুর ও নিকলী এই দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাঁস প্রতীক নিয়ে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অধূনালুপ্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।