স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ১৭টি মসজিদে লাশ দাফনের কাজে ব্যবহারের জন্য উন্নত মানের মুর্দা মশারী দিয়েছেন জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমআর নামাজের পর এসব মুর্দা মশারী সংশ্লিষ্ট মসজিদগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেন হাসান আহমেদ রমজান।

এ সময় মুস্তফা কামাল, আসাদ মিয়া, আব্দুল মান্নান, মো. শরিফ, বাবুল মিয়া, জাকির হোসেন, নাসির ডা., শাহিন মিয়া, ফরিদ উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যে ১৭টি মসজিদে মুর্দা মশারী দেওয়া হয়েছে, এগুলো হলো- পাকুন্দিয়া উপজেলার ৫নং বুরুদিয়া ইউনিয়নের কাগারচর আউই বাড়ী বাবুর সালাম জামে মসজিদ, আবু বাক্কার সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদ, হাজী মুলফত আলী জামে মসজিদ, পশ্চিম কাগারচর হামিদ মুন্সি জামে মসজিদ, উত্তর কাগারচর কুইয়েতি জামে মসজিদ, কাগারচর তালতলা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, আকন্দ বাড়ী জামে মসজিদ, মধ্য কাগারচর দুই তলা জামে মসজিদ, কাগারচর ঈদগা মাঠ জামে মসজিদ, বালুয়াকান্দা দাখিল মাদ্রাসা মাঠ জামে মসজিদ, পুটিয়া নগর হাজরাদী বাইতুল ফালাহ,জামে মসজিদ, মিরদী সরকার বাড়ী জামে মসজিদ, মিরদী উত্তর পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদ, মধ্য নরপতি জামে মসজিদ, নামা পুটিয়া আকন্দ বাড়ী জামে মসজিদ, মধ্য পুটিয়া বুরুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ জামে মসজিদ এবং মান্দারকান্দি চৌরাস্তা বাজার জামে মসজিদ।

যুব অধিকার পরিষদ নেতা হাসান আহমেদ রমজানের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় আখ্যা দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত ইমাম ও মুসল্লিরা।

তাঁরা জানান, এমন জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়া সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। এ সময় সমাজের বিত্তবানদেরও এ ধরনের জনহিতকর কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান বলেন, মৃত্যু মানবজীবনের এক অনিবার্য সত্য। একজন মুসলমানের শেষ বিদায় যেন যথাযথ সম্মানের সাথে সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনেক সময় জানাজার পূর্বে মরদেহ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব দেখা দেয়। মুর্দা মশারী থাকলে মরদেহ মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব থেকে সুরক্ষিত থাকে, যা প্রয়াতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, গণঅধিকার পরিষদ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক কাজেও সব সময় অংশগ্রহণ করে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যেকোনো উপায়ে জনগণের সেবা করা। ফলে আমাদের সাধ্যমত আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।