আমিনুল ইসলাম বাবুল: কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা বহুমূখী আলিম মাদ্রাসার দাখিল ২০২৫-২০৬ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তেউরিয়া গ্রামের বামিন্দা মো. তারু খানের কন্যা মোছা. ছনিয়ার (১৪) মরদেহ প্রায় চার মাস পর কবর থেকে তোলা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়নের তেউরিয়া গ্রামের কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। এর আগে, ‘ডিএনএ স্যাম্পল’ সংগ্রহ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল।
আদালতের নির্দেশে সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা আখতার এর উপস্থিতিতে মোছা. ছনিয়ার মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে।
মোছা. ছনিয়ার মরদেহ উত্তোলনের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ পরিদর্শক শেখর রঞ্জন পাল, মোছা. ছনিয়ার বাবা মো. তারু খান ও মা মোছা. মিশনা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, মোছা. ছনিয়া গত ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে তাদের বসতঘরের বারান্দার রুমের ধন্নার সাথে উরনা বেধে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে এই তথ্যের ভিত্তিতে তাড়াইল থানায় অপমৃত্যু মামলা (নং-০১/২৬, তারিখ: ১ জানুয়ারি ২০২৬) রুজু করা হয়।
পরবর্তীতে কিছুদিন পর মোছা. ছনিয়ার বাবা মো. তারু খান তাঁর মেয়ে মোছা. ছনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে আদালতে নালিশী দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালত নালিশী দরখাস্তটি পর্যালোচনা করে এজাহার হিসেবে গণ্য করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাড়াইল থানাকে নির্দেশ প্রদান করে।
আদালতের নির্দেশে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানায় মামলা (নং- ০৮, ধারা: ৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০) রুজু করা হয়। এতে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখর রঞ্জন পাল।
এ ব্যাপারে তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, আদালতের নির্দেশে তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা আখতারের উপস্থিতিতে মোছা. ছনিয়ার মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে।